ঘুষ একটি সামাজিক ব্যাধি। ঘুষ দেয়া এবং ঘুষ নেয়া সমান অপরাধ।এই
শব্দগুলো দেখতে দেখতে, পড়তে পড়তে এবং শুনতে শুনতে চোখ-মুখ-কান এর অভ্যাস হয়ে গেছে।
কিন্তু একটি বার ও ভেবে দেখেননি যে শুধু মাত্র ঘুষ দেয়া বন্ধ করতে পারলে-ই আমাদের
দেশ হবে সোনার বাংলাদেশ।
আপনি জানেন কি ঘুষ দেয়া হরাম!যে ব্যাক্তি ঘুষ দিয়ে কোন
চাকরি পাবে আর সেই চাকরীর বেতন দিয়ে নিজের পরিবারের জন্য বাজার করে নিয়ে আসবেন এবং
সেই খাবার মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তানদের খাওয়াবেন তা সবই হারাম হয়ে যাবে। ৩০টা দিন
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, আরামের ঘুম হারাম করে সকাল ৫টা বাজে ঘুম থেকে উঠে রাত ৮টা
পর্যন্ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যে টাকা আয় করবেন তার সবটুকু-ই হারাম হয়ে যাবে (যদি
আপনার চাকরি ঘুষের টাকায় হয়ে থাকে)। চাকরীর শুরু
থেকে মৃত্যু পর্যন্ত পুরু সময়টাতে শুধু পাপ, পাপ আর পাপ কামাই করে যাচ্ছেন। আমরা
যদি ঘুষ দিয়ে চাকরীর জন্য চেষ্ঠা না করি তাহলে কি হয় দেখেন এবং ভাবেন...* প্রত্যেক
বছর সরকারি চাকরীর জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া হবে সেই বিজ্ঞাপন অনুযায়ী আমরা আমাদের
প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিব এবং সেই অনুযায়ী পরীক্ষা দেব, মৌখিক দেব কিন্তু কোন
প্রকার টাকা-পয়সা লেন-দেন করবো না। ১টি টাকা-পয়সা আমরা ঘুষ দেওয়ার চেষ্টাও যদি না
করি তাহলে কি ঐ বছর কারো-ই চাকরী হবে না? মাত্র ১টি বছর যদি আমরা ঘুষ না দিয়ে থাকতে
পারি তাহলে তার পরের বছর থেকে ঘুষ ছাড়াই চাকরী হতে বাধ্য। ইনশাআল্লাহ্।
আপনাদের
সবার কাছে আমার অনুরোধ আসুন আমরা এই পণ করি যে, টাকার বিনীময়ে আমরা কোন চাকরী নিব
না। হালাল কামাই করব হালাল খাবার খাব। হালাল খাবার গ্রহন করলে শরীর ও মন ভাল থাকে।



